কৃষি বিলের প্রতিবাদে NDA-তে বিদ্রোহ, মোদী মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা অকালি

বিতর্কিত কৃষি বিলের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে সদস্য প্রত্যাহার করে নিল এনডিএ-র দীর্ঘ দিনের সঙ্গি অকালি দল। তাদের অন্যতম সাংসদ হরসিমরত বাদল

নরেন্দ্র মোদী (ফাইল ছবি)

হাইলাইটস

  • বিতর্কিত কৃষি বিলের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে সদস্য প্রত্যাহার করে নিল এনডিএ-র দীর্ঘ দিনের সঙ্গি অকালি দল।
  • তাদের অন্যতম সাংসদ হরসিমরত বাদল বৃহস্পতিবার মোদী ক্যাবিনেট থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।
  • কৃষি সংস্কারে সংসদে মোট তিনটি বিল পেশ করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।
  • বৃহস্পতিবার ৭০ পেরিয়ে ৭১ বছরে পড়লেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এই দিনেই ভাঙন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। কেন্দ্রের তিনটি কৃষি বিলের প্রতিবাদে মোদী মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিলেন এনডিএ-র অন্যতম শরিক অকালি দলের নেত্রী হরসিমরত কৌর বাদল। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। মোদী মন্ত্রিসভায় অকালি দলের একমাত্র সদস্য ছিলেন হরসিমরত।

    নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ট্যুইটারে হারসিমরত লিখেছেন, ‘সরকারের কৃষক বিরোধী অর্ডিন্যান্স এবং আইনের প্রতিবাদে আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছি। কৃষক এবং তাঁদের ভাইবোনদের পাশে থাকতে পেরে আমি গর্বিত।’

    যদিও আগামী দিনে এনডিএ-তে থাকা বা না থাকা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি শিরমণি অকালি দল। দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদল সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমাদের আগামী রণকৌশল কী হবে, সেই বিষয়ে পার্টির পরবর্তী বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

    এর আগে লোকসভায় কৃষি বিলের উপরে বিতর্কে অংশ নিয়ে বিজেপির সিদ্ধান্তের উল্টো পথে যায় শিরোমণি অকালি দল। এই বিলকে কৃষক বিরোধী আখ্যা দেন দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, এই বিল আইনে পরিণত হলে কৃষকদের স্বার্থ লঙ্ঘিত হবে।

  • দেশের কৃষি ক্ষেত্রে সংস্কার-কেন্দ্রিক পদক্ষেপগুলিকে বাস্তবায়িত করতে গত ৫ জুন কেন্দ্রীয় সরকার কতগুলি অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশগুলিকে পাকাপাকিভাবে আইনি মান্যতা দিতে গত সোমবার লোকসভায় কৃষি-সংক্রান্ত তিনটি বিল পেশ করেন কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষি কল্যাণ মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর।
  • ওই তিনটি বিলের মধ্যে একটি বিলের লক্ষ্য, দেশের বর্তমান অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন সংশোধন করে নির্দিষ্ট কিছু কৃষি পণ্য মজুত রাখার ঊর্ধসীমা তুলে দেওয়া।

    আর একটি বিলের লক্ষ্য, রাজ্যগুলিতে বর্তমানে কৃষিপণ্য বিপণন নিয়ে যে এপিএমসি আইন আছে তা দূর করে আন্তঃরাজ্য কৃষি পণ্যের বাণিজ্য অবাধ করা এবং তৃতীয় বিলটির উদ্দেশ্য, রাজ্যগুলিতে চুক্তি-ভিত্তিক চাষ ব্যবস্থা আইনসিদ্ধ করা।

    সংসদে উপস্থিত বিরোধী সদস্যরা একে রাজ্যের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ বলে কেন্দ্রীয় সরকার এবং ওই তিন প্রস্তাবিত আইনের তীব্র বিরোধীতা করেন।



Source

ওয়েব ডেস্ক

Average Rating

5 Star
0%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

করোনাভাইরাস: জিয়নকাঠি ভ্যাকসিন ক্রমেই রাষ্ট্রের ‘অস্ত্র’

Fri Sep 18 , 2020
করোনা যে সহসা বিদায় নিচ্ছে না, তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। হু-র ইউরোপের প্রধান হান্স ক্লুগ এ দিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, অক্টোবর-নভেম্বরে আরও প্রাণ কাড়বে কোভিড। আরও কঠিন হ..

আরও দেখুন